দৃষ্টি আকর্ষণঃ
আমাদের ভূবনে স্বাগতম। আপনাদের সহযোগিতাই আমাদের পাথেয়।
শিক্ষা জাতীয়করণের দাবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবরে খোলাচিঠি

শিক্ষা জাতীয়করণের দাবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবরে খোলাচিঠি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (ফাইল ফটো)

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
পত্রের প্রারম্ভে আপনাকে মানুষ গড়ার কারিগর, জ্ঞানতাপস, আলোর দিশারী বেসরকারি শিক্ষকদের পক্ষ থেকে সশ্রদ্ধ সালাম ও আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। এর আগেও দু’বার দু’টি পত্র লিখে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছি। জানি না আপনার গোচরিভূত হয়েছে কিনা। তবে প্রতিকার যেহেতু পাইনি তাই ধরে নিচ্ছি হয়নি। বাধ্য হয়েই আবার জাবর কাটছি। আশা করি আপনার অথবা আপনার প্রেস উইংয়ের নজর কাটতে সক্ষম হব। শিক্ষা জাতীয়করণ এখন সময়ের দাবি। দেশের পাঁচ লক্ষাধিক এমপিওভূক্ত বেসরকারি শিক্ষক অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে মুজিববর্ষেই আপনার নিকট থেকে জাতীয়করণের ঐতিহাসিক ঘোষণা শোনার। কিন্তু শিক্ষকরা আশায় বুক বাঁধলেও আপনার পক্ষ থেকে কিংবা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে কোনরূপ আশার বাণী শুনতে পাচ্ছি না। তাই একরাশ বেদনা নিয়েই পত্রালাপ শুরু করছি।
হে সফল রাষ্ট্রনায়ক,
আপনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর সুযোগ্য উত্তরসূরি গণতন্ত্রের মানসকন্যা খ্যাত সফল রাষ্ট্রনায়ক। আপনি অত্যন্ত দুরদর্শীপূর্ণ সরকার প্রধান হিসেবে বিশ্বনেতৃত্বের আসনে আজ সুপ্রতিষ্ঠিত। আপনার আদর্শবাদ, চিন্তা-চেতনা, কল্যাণধর্মী আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘ সংগ্রাম, মানবতাবোধ, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে সাহসী ভূমিকা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় আন্তরিক উদ্যোগ বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। আপনি বাংলার অসহায় নিপীড়িত, নির্যাতিত, গরীব-দুঃখী মানুষের নিকট আর্ত-মানবতার মূর্ত প্রতীক, সমৃদ্ধ বাংলাদেশের রূপকার, এশিয়ার বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর, শান্তির অগ্রদূত। দুরদর্শিতা, বাগ্মিতা, প্রাজ্ঞ নেতৃত্বের কারণেই আপনি খ্যাতির চূড়ায় আসীন। দেশের এবং নিজের জন্য বয়ে এনেছেন অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা। আপনি বিশ্বের বিষ্ময়, উন্নয়নের রোল মডেল। আপনি বিশ্ববরেণ্য চিন্তাবিদ ও পরিকল্পনাকারী। আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে উন্নয়নশীল দেশের তকমা অর্জন করেছে। প্রত্যাশার জাল বুনছি এজন্যে যে, আপনার গতিশীল নেতৃত্বে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চক্রান্ত সত্ত্বেও আপনার দুরদর্শী ও সাহসী ভূমিকায় প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু। প্রায় ১লক্ষ ৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধিতে নির্মাণ করেছেন বেশ কিছু বৃহদাকার ফ্লাইওভার। নির্মিত হচ্ছে মেট্রোরেল ও এলিভেটেট এক্সপ্রেসওয়ে। মোদ্দাকথা আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের যে বৈপ্লবিক উন্নতি সাধিত হয়েছে তা রীতিমত ঈষর্ণীয়।
হে স্বপ্নাদ্রষ্টা,
আপনি নিজে স্বপ্ন দেখতে ভালোবাসেন এবং জাতিকেও স্বপ্ন দেখাচ্ছেন। তাই আপনি জোড় গলায় বলতে পারেন, মুজিববর্ষেই সারাদেশ শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় আসবে। দেশবাসীও আপনার এ কথা বিশ্বাস করে। কেননা আজ থেকে এক দশক আগেও কখন বিদ্যুৎ আসত, কখন যেত দেশবাসী তা টের পেতো না। এখন লোডশেডিংকে আপনি জাদুঘরে পাঠানোর ব্যবস্থা করছেন। আপনি পেরেছেন, পারেন এবং পারবেন। আপনি বলেছেন, ‘২০২০ সালের মার্চ থেকে ২০২১ সালের মার্চ; সময়কে আমরা মুজিববর্ষ হিসেবে ঘোষণা করেছি। ইনশাল্লাহ, এই যে মুজিববর্ষ ঘোষণা দিয়েছি, এরই মাঝে আমরা শতভাগ বিদ্যুৎ দিতে সক্ষম হব, বলে আশা করছি। কেউ অন্ধকারে থাকবে না। সব ঘরেই আলো জ্বলবে’। আপনার এ দৃঢ়প্রত্যয়ী ঘোষণা দেশের জনগণ মণেপ্রাণে বিশ্বাস করে। কিন্তু হতাশার চাদরে আচ্ছ্বাদিত বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের একজন প্রধান এবং আপনার সুহৃদ (খ্যাতির চূড়ায় আসীন শেখ হাসিনা গ্রন্থের লেখক) হিসেবে যথেষ্ট সাহস সঞ্চার করেই বলছি, দেশকে শুধুমাত্র বিদ্যুতের আলোকে আলোকিত করলেই চলবে না, শিক্ষার আলোকেও আলোকিত করতে হবে।
হে বিশ্ববরেণ্য চিন্তাবিদ,
কবি কাজী নজরুল ইসলাম রাজবন্দী হিসেবে আদালতের কাঁঠগড়ায় দাঁড়িয়ে যে জবানবন্দী দিয়েছিলেন, তারই আদেলে বিবেকের তাড়নায় কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে কিছু নিরেট সত্য আপনার সমীপে তুলে ধরতে চাই। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা আজ খাদের কিনারে। একটু ধাক্কা খেলেই তলিয়ে যেতে পারে অতল গহ্বরে। শিক্ষাক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় বিরাজমান পাহাড়সম বৈষম্যের শিকার শিক্ষকদের হতাশাগ্রস্থতা, শ্রেণিকক্ষে দায়সারা শিখন-শিক্ষণ মহড়া, রহস্যাবৃত মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, পিইসি, জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের যৌথ উদ্যোগে অনৈতিকতার মহোৎসব, ম্যানেজিং কমিটি কর্তৃক অযোগ্য শিক্ষক নিয়োগ, সংসারের অপ্রতুল চাহিদা মেটাতে শিক্ষকদের প্রাইভেট-কোচিং এর প্রতি অত্যাধিক আসক্তি, পাবলিক পরীক্ষায় পাশের হার ও জিপিএ-৫ বাড়ানোর অশুভ প্রতিযোগিতায় শিক্ষাক্ষেত্রে বিরাজ করছে হ-য-ব-র-ল অবস্থা। নিজের কাঁধে দায় নিয়েই বলছি, সুষ্ঠু, সুন্দর ও নকলমুক্ত পরিবেশে পাবলিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলে পাশের হার কোনক্রমেই ৪০% এর বেশি হবে না। একইভাবে কমবে জিপিএ-৫ এর সংখ্যা। শর্তের বেড়াজাল এবং অশুভ প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার মানসে এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের দুর্বলতা ঢাকতে শিক্ষকরা শুধু পরীক্ষার হলেই অবৈধ পন্থা অবলম্বন করেন না, উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রেও চরম শৈথিল্যতা প্রদর্শন করেন এবং অপ্রাসঙ্গিক উত্তরেও নম্বর প্রদান করে পাশের হারকে আকাশচুম্বী করে বোর্ড কর্তৃপক্ষ এবং সরকারের বাহাবা কুড়াচ্ছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ও একে শিক্ষার মানের উৎকর্ষতা সাধন হিসেবে চালিয়ে দিচ্ছে অবলীলায়। কিন্তু প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে গোল্ডেন জিপিএ-৫ প্রাপ্তরাও যখন পাশ নাম্বার উঠাতে ব্যার্থ হচ্ছে তখন গোটা শিক্ষা ব্যবস্থার দীনতা প্রকাশ পায় বৈকি। দৃশ্যতঃ আত্মতৃপ্তির মাঝেই দেশ এগুচ্ছে মেধাহীন অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে।
হে বিশ্ববরেণ্য পরিকল্পনাবিদ,
বিবেকের দংশনে আজ সত্য প্রকাশে ব্রতী হই। শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্য রেখে এহেন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ অসম্ভব। দেশের ৯৮ ভাগ শিক্ষা বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত এবং শিক্ষকরা সুবিধাবঞ্চিত। অপ্রিয় হলেও সত্য যে, সেবাব্রত নিয়ে এ মহান পেশায় যোগদান করলেও আর্থিক দীনতা ও প্রাপ্য সম্মান না পেয়ে পেশার স্বকীয়তা হারিয়ে অনেক শিক্ষকই অনৈতিক পথ অবলম্বন করছেন। মেধাবী শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় ব্যাতিরেকে অন্যান্য স্তরে শিক্ষকতা পেশা গ্রহণে মোটেও আগ্রহী নয়। তাই অনতিবিলম্বে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ করে পিএসসির মাধ্যমে বা জাতীয় শিক্ষা কমিশন গঠন করে যোগ্য শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে এ ক্ষত উপশম করতে না পারলে জাতিকে চরম মাশুল গুণতে হবে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস বিদ্যমান শিক্ষকরাও প্রাপ্য সুবিধা ও সম্মানের অধিকারী হলে পাল্টে যেতে পারে দৃশ্যপট।
হে মানবতার অগ্রদুত,
আপনি জনদরদী, অপরের দুঃখে আপনার প্রাণ কাঁদে। কিন্তু আমরা যারা বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আপনার কৃপা দৃষ্টিলাভ এবং আশির্বাদ থেকে বঞ্চিত হয়েছি। সংখ্যায় আমরা পাঁচ লক্ষাধিক এবং দেশের ৯৮ ভাগ মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আমাদের দ্বারা পরিচালিত হলেও আমরা ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত। সরকারি কর্মচারিরা ২০১৫ সাল থেকে বাৎসরিক ইনক্রিমেন্ট পেলেও আপনার আশির্বাদে আমরা পেয়েছি ২০১৮ সালে। তাও আবার কোনরূপ বকেয়া ছাড়া। একইভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে বৈশাখী ভাতা পাপ্তির ক্ষেত্রেও। রাষ্ট্রের সকল নাগরিক আপনার কাছে সমান। বাঙালি স্বভাবতই উৎসব প্রিয় জাতি। বেসরকারি শিক্ষকরা এর বাইরে নয়। সমাজের আট দশটা মানুষের মত আমাদেরও স্বাদ-আহ্লাদ আছে। সন্তান-সন্ততি আছে। ঈদের কেনাকাটার শখ তাদেরও আছে। আমি নিজে একজন প্রধান শিক্ষক। আমার বেতন স্কেলের ২৫% ঈদবোনাস মাত্র ৮৭২৫/- টাকা। এ নামমাত্র টাকায় স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ঈদের কেনাকাটা আদৌ সম্ভব কিনা এ প্রশ্ন জাতির কর্ণধার আপনার কাছেই রাখলাম। লজ্জাস্কর হলেও সত্য আমরা মাত্র ১০০০ টাকা বাড়ি ভাড়া পাই যা দিয়ে মাথা গোঁজার ঠাঁই কোথাও নাই। আমাদের চিকিৎসা ভাতা ৫০০/- টাকা, বদলী সোনার হরিণ, উচ্চতর স্কেল কবে পাব জানি না।
হে বিশ্ববরেণ্য চিন্তাবিদ,
বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য উত্তরসূরি, বাংলাদেশের মানুষের আশা-আকাঙ্খা ও ভরসার স্থল, আপনি দীর্ঘ ১৫ বছর দেশের প্রধানমন্ত্রী। আপনার নেতৃত্বে দেশ অনেক দুর এগিয়ে। বিশ্ববাসী আজ বাংলাদেশকে সমীহ করে। আপনি নিজেও স্বীয় দক্ষতা ও যোগ্যতাবলে খ্যাতির চূড়ায় আসীন। অথচ আপনারই আস্থাভাজন মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষক সমাজ অর্ধাহারে, অনাহারে কিংবা উৎসব-পার্বণে মলিন মুখে থাকবে তা নিশ্চয়ই প্রত্যাশিত নয়। তাই আমরা যে মহানব্রত নিয়ে এ সেবামূলক পেশায় আত্মনিয়োগ করেছি তা যেন স্বার্থক ও সফল হয় তার কাণ্ডারী একমাত্র আপনিই হতে পারেন। আপনার একটি সাহসী সিদ্বান্তই বদলে যেতে পারে আমাদের ভাগ্যের চাঁকা। শিক্ষা ব্যবস্থায় সাধিত হতে পারে বৈপ্লবিক উন্নয়ন। আমার দৃঢ় বিশ্বাস জাতির জনকের রক্ত যাঁর শিরা-উপশিরা ও ধমনীতে প্রবাহিত, তিনি বেসরকারি শিক্ষাব্যবস্থাকে একদিন না একদিন জাতীয়করণ করবেন। আশার কথা যে, অপনি ইতমধ্যেই দেশের বিভিন্ন উপজেলায় কিছু প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করেছেন। এজন্য আপনাকে সাধুবাদ জানাই। লক্ষ যেহতু শিক্ষার মানোন্নয়ন তাই বিচ্ছন্নভাবে নয়, দেশের মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ করে পাঁচ লক্ষাধিক শিক্ষকের মনের মনিকোঠায় ঠাঁই করে নেবেন এবং বাংলাদেশের শিক্ষার ইতিহাসে নিজের নামটি স্বর্ণাক্ষরে খোদাই করে রাখবেন ।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
আমরা পাঁচ লক্ষাধিক এমপিওভূক্ত বেসরকারি শিক্ষক এখন হতাশায় ভূগছি। এতে শুধু আমরা নই, সমস্ত শিক্ষা ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। চাওয়া-পাওয়ার এ ফোবিয়া আক্রান্ত শিক্ষকদের পাশে দাঁড়ানো একান্ত প্রয়োজন বোধ করছি। জাতির সংকটময় মুহুর্তে আপনাকে দেখেছি কান্ডারী হিসেবে ভূমিকা রাখতে। শিক্ষাবান্ধব তকমাটিও আপনাকেই মানায়। তাই আমাদের এ দুঃসময়ে আপনাকেই ত্রাণকর্তা হিসেবে কাছে পাবো এ প্রত্যাশা করছি। আপনি সবই জানেন এবং বুঝেন। তাই প্রত্যাশা করছি ২০২০ সাল হউক বেসরকারি শিক্ষকদের মুক্তির সোপান। বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকীতে আমরা উপহার হিসেবে পেতে চাই বহুল প্রত্যাশিত জাতীয়করণের ঐতিহাসিক ঘোষণা। মুজিববর্ষ বয়ে আনুক আলোকবর্ষ। এ প্রত্যাশায় এ কিঞ্চিৎ আখ্যায়িকার ইতি টানছি।
ইতি
আপনারই গুণমুগ্ধ
মোহাম্মদ আলাউদ্দিন ভূঞা
প্রধান শিক্ষক, পীর কাশিমপুর আর এন উচ্চ বিদ্যালয়, মুরাদনগর, কুমিল্লা।
০১৮১৮৬৬৪০৩৪, E-mail: alauddinhm71@gmail.com

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 www.kalpurushnet.com