দৃষ্টি আকর্ষণঃ
আমাদের ভূবনে স্বাগতম। আপনাদের সহযোগিতাই আমাদের পাথেয়।
সংবাদ শিরোনাম
ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন ছাড়া শিক্ষা জাতীয়করণ ‘সোনার পাথর বাটি’ পিতার স্বপ্ন ছিল শিক্ষা জাতীয়করণ কন্যার হাতে হোক বাস্তবায়ন হোমনায় ভ্রাম্যমান আদালতে ৫টি প্রতিষ্ঠানকে ৩৩ হাজার টাকা জরিমানা বাহাত্তরের ১০ জানুয়ারি এবং একাশির ১৭ মে বাঙালির ইতিহাসে দু’টি স্মরণীয় দিন হোমনায় বুদ্ধি প্রতিবন্ধিকে গণধর্ষণের অভিযোগে আটক-৪ সমাজের দুর্গন্ধটুকু এখন আর কারো নাকে লাগেনা বাংলাদেশের বর্তমান শীতল রাজনীতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মুজিববর্ষই শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণের শ্রেষ্ঠ সময় হোমনায় আওয়ামী যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক একটি যুগান্তকারী মুহূর্ত অতিক্রম করছে-শেখ হাসিনা ভারতের ‘প্রতিবেশীর অগ্রাধিকার’ নীতিতে এক নম্বর পিলার হচ্ছে বাংলাদেশ-নরেন্দ্র মোদি
যোগাযোগ খাতে শেখ হাসিনার উন্নয়ন বিপ্লব

যোগাযোগ খাতে শেখ হাসিনার উন্নয়ন বিপ্লব

ছবিঃ ২০১৫ সালের ১২ ডিসেম্বর পদ্মাসেতুর মূল কাজের শুভ উদ্বোধন করছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (ফাইল ফটো)

মোহাম্মদ আলাউদ্দিন মাস্টার।। আজ ২২ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিভিন্ন জেলার তিনটি সেতু ও পাবনার বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল আলম বকুল স্বাধীনতা চত্বরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেছেন, “একটার পর একটা সেতু হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন হচ্ছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারে আসার পর সারা বাংলাদেশে যোগাযোগের একটা ব্যাপক নেটওয়ার্ক আমরা গড়ে তুলেছি, যার ফলে করোনাকালীনও অর্থনীতির চাকা সচল রয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “আজকে দারিদ্র্যসীমা আমরা কমিয়ে আনতে পেরেছি। মাথা পিছু আয় বৃদ্ধি করেছি, মানুষের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করেছি। একেবারে গ্রাম পর্যন্ত যে মানুষের জীবন মান উন্নত করা যায়, সেটাও আমরা প্রমাণ করেছি।
নিন্দুকেরাও স্বীকার করবেন যে, কৃষি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের পাশাপাশি যোগাযোগ খাতেও শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার নব দিগন্তের সূচনা করেছেন। প্রতিবন্ধকতাহীন ধারাবাহিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ফলে গত মাহাজোট সরকারের পাঁচ বছর এবং বর্তমান সরকারের তিন মেয়াদে দেশের রাস্তাঘাটের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। শেখ হাসিনার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ সকল প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করে নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ। তাছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে চার লেনে উন্নীত করা, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ককে চার লেনে উন্নীত করা, কর্ণফুলী নদীতে টানেল নির্মাণ প্রকল্প হাতে নেয়া, বিমানবন্দর থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত ২০কি.মি. এলিভেটেড এক্রপ্রেসওয়ে নির্মাণ, উত্তরা থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত এলিভেটেড এক্রপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্প হাতে নেয়া, ফেনীতে ফ্লাইওভার নির্মাণ, মেট্রোরেলের কাজ শুরু করাসহ অনেকগুলো উন্নয়ন কাজ এযাবৎকালে সরকারের বড় সাফল্য। শুধু তাই নয় দেশের বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু গুরূত্বপূর্ণ সেতু নির্মাণ, পার্বত্য তিন জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের যোগাযোগ ব্যবস্থায় ব্যাপক উন্নয়ন সরকারের অন্যতম সাফল্য। যোগাযোগ খাতের উন্নয়নের সুফল ইতমধ্যে পেতে শুরু করেছে সাধারণ মানুষ। আশার কথা যে, আগামী ২৯ নভেম্বর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যমুনা নদীর উপর বঙ্গবন্ধু সেতুর ৩০০ মিটার উত্তরপাশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতুর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন।
২০০৮ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার গঠনের পর সর্বাগ্রে গুরূত্ব দেয়া হয়েছে সারাদেশের ভঙ্গুর যোগাযোগ ব্যাবস্থার সামগ্রিক উন্নয়নে। সরকার প্রথমেই চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করেন পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্প। অপ্রিয় হলেও সত্য, কাজ শুরু করার পূর্বেই বিশ্বব্যাংক কাকতালীয়ভাবে দুর্নীতির অভিযোগ এনে পদ্মাসেতু নির্মাণ প্রকল্প থেকে সড়ে দাঁড়ায়। বিশ্বব্যাংকের অনুসারী হয় অন্যান্য দাতা সংস্থা। কিন্তু পিছপা হননি জাতির জনকের সুযোগ্য উত্তরসূরি দৃঢ়চেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নিজস্ব অর্থায়নে স্বপ্নের পদ্মা সেতু নির্মাণে তিনি অটল। সকল ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করে পদ্মা সেতু এখন বাস্তবতা। আগামী ২০২১ সাল নাগাদ পদ্মা সেতুর উপর দিয়ে যানবাহন চলাচল করবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 www.kalpurushnet.com