দৃষ্টি আকর্ষণঃ
আমাদের ভূবনে স্বাগতম। আপনাদের সহযোগিতাই আমাদের পাথেয়।
সংবাদ শিরোনাম
মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ও উপমন্ত্রী শিক্ষা জাতীয়করণ প্রসঙ্গে সংসদে আপনাদের বক্তব্য চাই করোনা বৃত্তান্ত।। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু এবং আক্রান্ত শনাক্ত দু’টোই বেড়েছে করোনার গ্যাঁড়াকলে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা।। বিপর্যস্ত শিক্ষাপঞ্জি চরম বিপাকে বেসরকারি শিক্ষকরা সমৃদ্ধ জাতি গঠনে শিক্ষা ও শিক্ষকবান্ধব পরিকল্পনা জরুরি শিক্ষকতা পেশার মর্যাদা তলানীতে! আমি শিক্ষক মানুষ গড়ার কারিগর এ নহে মোর অপরাধ মোবাইল গেমসঃ একটি ভয়াবহ ব্যাধি তিতাসে বাংলাদেশ শিক্ষা সেবা ফাউন্ডেশনের বৃক্ষ রোপণ এ বছরও হজ্বযাত্রী পাঠানো বন্ধ থাকবে- সংসদে অর্থমন্ত্রী মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ও উপমন্ত্রী শিক্ষা জাতীয়করণে প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দের উদ্যোগ নিন ৫০ বছরে ৭৮৬ কোটি থেকে ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ হাজার কোটি টাকার বাজেট
মার্কেট ও শপিংমলে ভিড়ের দৃশ্য দেখে মনে হয় না দেশে করোনা মহামারি চলছে!

মার্কেট ও শপিংমলে ভিড়ের দৃশ্য দেখে মনে হয় না দেশে করোনা মহামারি চলছে!

মোহাম্মদ আলাউদ্দিন ভূঞা।। ঈদকে কেন্দ্র করে শপিংমল, বিপণিবিতানে ছুটছে উচ্চবিত্ত, মধ্যবিত্তসহ সকল শ্রেণি পেশার মানুষ। ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সব স্তরের ক্রেতা সমাগমে দেশের মার্কেট ও শপিংমলগুলোয় কেনাকাটার ধুম পড়েছে। এমনকি ফুটপাতেও ক্রেতাদের ভিড় করতে দেখা যাচ্ছে। কোথায় তিল ধারণের ঠাঁই নেই। অনেককে ছোট শিশুকে কাঁধে নিয়েও মার্কেটে ঘুরাফেরা করতে দেখা যায়। ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়কেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কথা থাকলেও এর কোন বালাই নেই। স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে মার্কেট ও শপিংমলের ভীড়ের দৃশ্য দেশে মনে হয় না দেশে করোনা মহামারি চলছে!
ব্যবসায়ীদের দাবির প্রেক্ষিতে চলমান বিধিনিষেধের (লকডাউনের) মধ্যেই জীবন-জীবিকা চালু রাখার লক্ষে শর্ত সাপেক্ষে মার্কেট ও শপিং মল খুলে দেয়া হয়েছে। মুখে মাস্ক বাধ্যতামূলক এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দোকানদারি করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ব্যবসায়ী নেতারা। মুখে প্রতিশ্রুতি দেয়া হলেও রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বেশির ভাগ মার্কেটে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না। বেশির ভাগ ক্রেতা বিক্রেতা স্বাস্থ্য বিধি মানছেন না। মুখে মাস্ক থাকলেও অধিকাংশ ক্রেতাই ঘেঁষাঘেঁষি করে কেনাকাটা করছেন।
করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি না মানায় পুলিশের সহযোগিতায় রাজধানীর পল্টনে চায়না টাউন মার্কেট বন্ধ করেছে বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি। ৪ মে, মঙ্গলবার মার্কেট খোলার আগ মুহুর্তে সেখানে অবস্থান নিয়ে সেটি বন্ধ করে দেয়া হয়। এ সময় দোকান মালিক সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেছেন, অন্য কোনো মার্কেটে যদি স্বাস্থ্যবিধি না মানা হয়, সেগুলোও বন্ধ করে দেয়া হবে। এটি একটি ভালো উদ্যোগ বলে বিবেচিত হবে যদি এ ধারা বজায় থাকে। কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। এটিকে আইওয়াস বলেই মনে হচ্ছে। মার্কেটের দোকান ও শপিংমলগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মানতে ব্যবসায়ীরা আন্তরিক তা বুঝানোর একটি অপকৌশল বলেই মনে হচ্ছে। নিকট ভবিষ্যতই বলে দেবে ব্যবসায়ীরা স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণে কতটুকু আন্তরিক।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, কোনো কোনো মার্কেটে ক্রেতা-বিক্রেতা মোটামুটিভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানলেও ফুটপাতের ভাসমান ব্যবসায়ীদের চিত্র খুবই ভয়াবহ। তারা কোনো স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। এমনকি তাদের ক্রেতারাও না। বরং ক্রেতারা গা-ঘেঁষাঘেঁষি দাঁড়িয়ে কেনাকাটা করছেন। দোকানের সামনে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। বিক্রেতার মাস্ক আছে তো ক্রেতার নেই, আবার ক্রেতার আছে তো বিক্রেতার নেই। শারীরিক বা সামাজিক দুরূত্ব বজায় রাখার তো কোন বালাই নেই। বিশেষজ্ঞদের ধারণা এমনটি চলতে থাকলে করোনা সংক্রমণ আরও বেড়ে যেতে পারে। তাই কঠোর নজরদারি ব্যতিত তা রোধ করা আদৌ সম্ভব নয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 www.kalpurushnet.com