দৃষ্টি আকর্ষণঃ
আমাদের ভূবনে স্বাগতম। আপনাদের সহযোগিতাই আমাদের পাথেয়।
সংবাদ শিরোনাম
জাতীয়করণ আমার অধিকার — মোহাম্মদ আলাউদ্দিন মাস্টার বর্তমান সংসদের প্রায় এক তৃতীয়াংশ সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন কারাগারের রোজনামচা ও কাউয়া সমাচার সংগঠন যার যার জাতীয়করণ সবার।। প্রয়োজন লেজুরবৃত্তি পরিহার ভাগ্য সুপ্রসন্ন বর্তমান চেয়ারম্যান-মেম্বারদের জীবন-জীবিকা মখোমুখি! এ যেন শ্যাম রাখি না কুল রাখি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেসরকারি শিক্ষকের মুখে হাসি নেই।। অনেকেই নিরবে চোখের জল ফেলছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী করোনার থাবায় বিপর্যস্ত বেসরকারি শিক্ষকরা।। আপনার সুদৃষ্টি কামনা করছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভালো নেই মানুষ গড়ার কারিগর বেসরকারি শিক্ষকরা! বাশিস এবং নজরুল ইসলাম রনি জাতীয়করণ প্রশ্নে আপোষহীন
বৈষম্য নিরসন ও জাতীয়করণ ছাড়া মেধাবী তরুণরা শিক্ষকতায় আকৃষ্ট হবে না

বৈষম্য নিরসন ও জাতীয়করণ ছাড়া মেধাবী তরুণরা শিক্ষকতায় আকৃষ্ট হবে না

মোহম্মদ আলাউদ্দিন ভূঞা।। ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস। বিশ্ব ব্যাপী শিক্ষকদের অবদানকে স্মরণ করার জন্য এই দিবসটি পালন করা হয়। এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে, ‘YOUNG TEACHER: THE FUTURE OF THE PROFESSION’ অর্থ্যাৎ ‘তরুণ শিক্ষকরাই পেশার ভবিষ্যৎ’। ১৯৯৩ খ্রিষ্টাব্দে প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ২৬তম সাধারণ সভায় ৫ অক্টোবর দিনটিকে বিশ্ব শিক্ষক দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এরপর ১৯৯৪ খ্রিষ্টাব্দে প্রথমবার দিবসটি পালন করা হয়। তবে ১৯৯৫ খ্রিষ্টাব্দ থেকে বিভিন্ন দেশে শিক্ষকরা সাড়ম্বরে ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস’ উদযাপন শুরু করেন। ইউনেস্কোর অনুমোদনে প্রতিবছর পৃথক প্রতিপাদ্যে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে। এই দিবসটি পালনে এডুকেশন ইন্টারন্যাশনাল (ইআই) ও তার সহযোগী ৪০১টি সদস্য সংগঠন মূল ভূমিকা রাখে। দিবসটি উপলক্ষে এডুকেশন ইন্টারন্যাশনাল (ইআই) প্রতি বছর একটি প্রতিপাদ্য বিষয় নির্ধারণ করে থাকে যা জনসচেতনতা বৃদ্ধির সাথে সাথে শিক্ষকতা পেশার অবদানকেও স্মরণ করিয়ে দেয়।

বিশ্ব শিক্ষক দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য বিষয়টি (‘তরুণ শিক্ষকরাই পেশার ভবিষ্যৎ’) বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে কতটুকু সামঞ্জস্যপূর্ণ তা বিবেচনার দাবি রাখে। অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে বলা যায়, দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরা শিক্ষকতা পেশায় খুব একটা আসে না বললেই চলে। যদিও বা কেউ আসে, কিছুদিন যেতে না যেতেই এ পেশা ত্যাগ করে অন্য পেশার দিকে ধাবিত হয়। এর মূল কারণ শিক্ষকদের সুযোগ সুবিধা অত্যন্ত সীমিত। বিশেষ করে বেসরকারি শিক্ষকরা পাহাড়সম বৈষম্যের শিকার। তাই মেধাবী ও তরুণ প্রজন্মকে শিক্ষকতায় আকৃষ্ট করতে হলে শিক্ষাক্ষেত্রে বিরাজমান বৈষম্য নিরসন এবং শিক্ষা জাতীয়করণের কোন বিকল্প নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 www.kalpurushnet.com