দৃষ্টি আকর্ষণঃ
আমাদের ভূবনে স্বাগতম। আপনাদের সহযোগিতাই আমাদের পাথেয়।
সংবাদ শিরোনাম
ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন ছাড়া শিক্ষা জাতীয়করণ ‘সোনার পাথর বাটি’ পিতার স্বপ্ন ছিল শিক্ষা জাতীয়করণ কন্যার হাতে হোক বাস্তবায়ন হোমনায় ভ্রাম্যমান আদালতে ৫টি প্রতিষ্ঠানকে ৩৩ হাজার টাকা জরিমানা বাহাত্তরের ১০ জানুয়ারি এবং একাশির ১৭ মে বাঙালির ইতিহাসে দু’টি স্মরণীয় দিন হোমনায় বুদ্ধি প্রতিবন্ধিকে গণধর্ষণের অভিযোগে আটক-৪ সমাজের দুর্গন্ধটুকু এখন আর কারো নাকে লাগেনা বাংলাদেশের বর্তমান শীতল রাজনীতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মুজিববর্ষই শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণের শ্রেষ্ঠ সময় হোমনায় আওয়ামী যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক একটি যুগান্তকারী মুহূর্ত অতিক্রম করছে-শেখ হাসিনা ভারতের ‘প্রতিবেশীর অগ্রাধিকার’ নীতিতে এক নম্বর পিলার হচ্ছে বাংলাদেশ-নরেন্দ্র মোদি
বেগম রোকেয়া নারীদের আলোর পথ দেখিয়েছেন-শেখ হাসিনা

বেগম রোকেয়া নারীদের আলোর পথ দেখিয়েছেন-শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (ফাইল ফটো)

কালপুরুষ রিপোর্ট।। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাঙালি নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া তৎকালীন সমাজের নারীদের আলোর পথ দেখিয়েছেন। প্রতিকূল পরিবেশেও বেগম রোকেয়া সমাজে একটা বিবর্তনের মাধ্যমে এই দেশের নারী সমাজকে এগিয়ে নিয়ে আসেন এবং তাদের শিক্ষার আলোকে আলোকিত করেন।
৯ ডিসেম্বর বুধবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে বেগম রোকেয়া দিবস উদযাপন ও বেগম রোকেয়া পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, নারীরা সমাজের অর্ধাংশ। নারীদের যদি এগোতেই না দেই তাহলে সমাজকে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলতে হবে। নারীদের সামনে এগিয়ে নিতে সরকারের আন্তরিকতা ও বিভিন্ন পদক্ষেপ এবং সফলতার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ আমাদের মেয়েরা অনেকদুর এগিয়ে গেছে। আমরা চাই আমাদের দেশের মেয়েরা সমানভাবে এগিয়ে যাক। কারণ বেগম রোকেয়াই আমাদের পথ দেখিয়ে গেছেন।
বেগম রোকেয়ার লেখা উদ্ধৃত করে শেখ হাসিনা বলেন, বেগম রোকেয়া বলতেন, কন্যাগুলিকে সুশিক্ষিত করিয়া কার্যক্ষেত্রে ছাড়িয়া দাও। নিজের অন্ন-বস্ত্র উপার্জন করুক। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কষ্ট করেই তিনি শিক্ষার আলোটা জ্বালিয়ে দিয়ে যান আমাদের জন্য। যার জন্য আজ আমরা বলতে পারি মেয়েরা অনেক সুযোগ আমরা পেয়েছি। নিজের মা বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিবের কথা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমার মা, যিনি সারাজীবন আমার বাবার পাশে থেকে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন, সহযোগিতা করেছেন। যখন আমার বাবা জেলে থাকতেন তখন দল গঠন থেকে শুরু করে আন্দোলন সংগ্রাম করা বা তার মামলা মোকাদ্দমা দেখা বা আমাদের মানুষ করা, লেখাপড়া শেখানো সব দায়িত্ব কিন্তু আমার মা নিজেই করেছেন।
বঙ্গমাতার জ্ঞান পিপাসার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কোনো প্রাতিষ্ঠনিক শিক্ষার সুযোগ তার ছিল না, কারণ সেই সময়কার যুগে মেয়েরা একটু বড় হলে আর তাদের স্কুলে যেতে দেয়া হতো না, পড়তে দেয়া হতো না। সেখানে আমি দেখেছি আমার মা খুব ব্যাতিক্রমী ছিলেন। নিজের চেষ্টায় তিনি অনেক লেখাপড়া করতেন এবং আমাদের সব সময় লেখাপড়া করতে অনুপ্রেরণা দিতেন।
এবছর বেগম রোকেয়া পদকপ্রাপ্তরা হলেন, প্রফেসর ড. শিরীন আখতার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (ডা.) নাজমা বেগম, মঞ্জুলিকা চাকমা, বেগম মুশতারী শফি (বীর মুক্তিযোদ্ধা) এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদা আক্তার বেগম। বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে পদকপ্রাপ্তদের হাতে সম্মাননা পদক, সনদ ও চেক তুলে দেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা। এসময় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে পদক প্রদান অনুষ্ঠানে সংযুক্ত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 www.kalpurushnet.com