দৃষ্টি আকর্ষণঃ
আমাদের ভূবনে স্বাগতম। আপনাদের সহযোগিতাই আমাদের পাথেয়।
সংবাদ শিরোনাম
মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী বেসরকারি শিক্ষকরা জাতীয়করণ ফোবিয়ায় আক্রান্ত।। দাওয়াই আপনাকেই দিতে হবে চলছে ঢিলেঢালা লকডাউন! স্বাস্থ্যবিধি উধাও সংকটের বেড়াজালে বন্দি শিক্ষকদের জীবন শিক্ষা জাতীয়করণ হলে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে দরিদ্র জনগোষ্ঠী সর্বোপরি সরকার আগে জীবন পরে জীবিকা- ওবায়দুল কাদের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা হবে।। পিছিয়ে যেতে পারে আরো দু’মাস লকডাউনে নতুন ৬ শর্ত পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তৃতীয়বারে মতো শপথ নিয়েছেন মমতা ব্যানার্জী মার্কেট ও শপিংমলে ভিড়ের দৃশ্য দেখে মনে হয় না দেশে করোনা মহামারি চলছে! খাল খনন প্রকল্পের নামে নয়-ছয়ের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবধান বাণী
নন্দীগ্রামে হেরে গেলেও মুখ্যমন্ত্রী হবার সুযোগ রয়েছে মমতা ব্যানার্জীর

নন্দীগ্রামে হেরে গেলেও মুখ্যমন্ত্রী হবার সুযোগ রয়েছে মমতা ব্যানার্জীর

ছবিঃ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী

কালপুরুষ রিপোর্ট।। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে মমতা ব্যানার্জী জিতেছেন, নাকি শুভেন্দু অধিকারী জিতেছেন তা নিয়ে ধোঁয়াশা যেন কাটছেই না। এদিকে সংবাদ সংস্থা এএনআই এক টুইট বার্তায় জানিয়েছে, হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পরে ১২০০ ভোটে জিতেছেন মমতা। কিন্তু পরে জানা যায় শুভেন্দু জিতেছেন। আনন্দবাজারকে সে কথা জানান বিজেপির প্রার্থী শুভেন্দু নিজেই। এ ঘটনা নিয়ে কমিশনের উপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মমতা ব্যানার্জী। এখন প্রশ্ন উঠেছে এই অবস্থায় মমতা নন্দীগ্রামে হেরে গেলে তার টানা তৃতীয় মেয়াদে মুখ্যমন্ত্রী হওয়া সম্ভব কিনা?
ভারতের সংবিধান অনুযায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরে গেলেও মমতা ব্যানার্জীর মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার সুযোগ রয়েছে। এক্ষেত্রে তাকে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে অন্য একটি আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে আসতে হবে। সেক্ষেত্রে দলের কোনো এক সদস্যকে পদত্যাগ করে তার আসনটি শুন্য করে দিতে হবে। আর সেখান থেকেই নির্বাচন করে রাজ্যের ২৯৪ আসনের বিধানসভার আইনপ্রণেতা নির্বাচিত হতে হবে তাকে।
ভারতের সংবিধানে এ নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা রয়েছে। সংবিধানের আর্টিকেল ১৬৩ ও ১৬৪ অনুযায়ী, কাউকে মুখ্যমন্ত্রী বা রাজ্যের মন্ত্রিপরিষদের সদস্য হতে চাইলে বিধানসভার সদস্য হতে হবে। ওই ধারায় বলা হয়েছে, রাজ্যের বিধানসভার সংখ্যাগরিষ্ঠ আইনপ্রণেতারাই মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন করবেন। আরও বলা হয়েছে, টানা ছয় মাস মন্ত্রী কিংবা মুখ্যমন্ত্রী থাকতে গেলে তাকে রাজ্যের কোনো একটি আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে আসতে হবে। অন্যথায় ১৮০ দিন পর তার পদ বাতিল হয়ে যাবে। এতে স্পষ্ট যে তৃণমূল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে মমতার মুখ্যমন্ত্রী হতে বাধা নেই। আর তুণমূল যে মমতাকেই মুখ্যমন্ত্রী বানাবে তা সহজেই অনুমেয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 www.kalpurushnet.com