দৃষ্টি আকর্ষণঃ
আমাদের ভূবনে স্বাগতম। আপনাদের সহযোগিতাই আমাদের পাথেয়।
সংবাদ শিরোনাম
জাতীয়করণ আমার অধিকার — মোহাম্মদ আলাউদ্দিন মাস্টার বর্তমান সংসদের প্রায় এক তৃতীয়াংশ সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন কারাগারের রোজনামচা ও কাউয়া সমাচার সংগঠন যার যার জাতীয়করণ সবার।। প্রয়োজন লেজুরবৃত্তি পরিহার ভাগ্য সুপ্রসন্ন বর্তমান চেয়ারম্যান-মেম্বারদের জীবন-জীবিকা মখোমুখি! এ যেন শ্যাম রাখি না কুল রাখি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেসরকারি শিক্ষকের মুখে হাসি নেই।। অনেকেই নিরবে চোখের জল ফেলছে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী করোনার থাবায় বিপর্যস্ত বেসরকারি শিক্ষকরা।। আপনার সুদৃষ্টি কামনা করছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভালো নেই মানুষ গড়ার কারিগর বেসরকারি শিক্ষকরা! বাশিস এবং নজরুল ইসলাম রনি জাতীয়করণ প্রশ্নে আপোষহীন
জি কে শামীম কারাগারে হাজারো শামীম ঘরে ঘরে! পৃষ্ঠপোষকদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে

জি কে শামীম কারাগারে হাজারো শামীম ঘরে ঘরে! পৃষ্ঠপোষকদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে

কালপুরুষ রিপোর্ট।। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতিবিরোধী কঠিন অবস্থানের কারণে দেশব্যাপী  ক্যাসিনো, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িতদের ভিত কেঁপে উঠেছে। ইতমধ্যে কিছু রাঘববোয়াল ধরাও পড়েছে। তাদের মধ্যে যুবদল থেকে একটি লোভাতুর মহলের সহায়তায় আওয়ামীলগে অনুপ্রবেশকারী জি কে শামীম অন্যতম। দুর্নীতিবিরোধী সরকারের এ অভিযানকে ইতিবাচক বলে মন্তব্য করেছেন অনেক রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সমাজবিজ্ঞানীরা। তাঁদের অভিমত, নিজ দলের মধ্যে থেকে এমন অভিযান নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। অতীতে দেশে এমনটা দেখা যায়নি। দল ও সরকারের ইমেজ রক্ষায় খুবই ভালো পদক্ষেপ। তবে অপরাধের পৃষ্ঠপোষকদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে। অভিযান শেষে এর সফলতা নিরূপণ করা যাবে। স্বার্থান্বেষী মহলের বাধায় যেন অভিযান মুখ থুবড়ে না পড়ে। অন্যদিকে সাধারণ জনগনণর মতামত একটু ভিন্নতর। তারা বলছেন, এক জিকে শামীম কারাগারে হাজারো শামীম ঘরে ঘরে। তাই রাজধানী কেন্দ্রিক এ অভিযান তেমন ফলপ্রসু হবে না। গোটা দেশব্যাপী জেলা ও উপজেলাও এ অভিযান পরিচালনা করতে হবে।  জেলা ও উপজেলার অনেক নেতাই সরকারি দলের নাম ভাঙিয়ে অবৈধ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছেন।

তবে নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানা যায়, দেশব্যাপী ক্যাসিনো, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার মালিক বনে যাওয়া ব্যক্তিদের শনাক্তে তালিকা তৈরি করছে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা। দল ও সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করে মাত্র কয়েক বছরে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে যাওয়া এই কথিত নেতাদের বিরুদ্ধে গোপনে তদন্তও হচ্ছে। সরকারি দলের নাম ব্যবহার করা সুবিধাবাদী নেতা ও দলে অনুপ্রবেশকারী দুর্নীতিবাজ, টেন্ডারবাজি ও জমি জবর-দখলসহ নানা অপরাধে জড়িত এসব ব্যক্তিকে পাকড়াও করতে চলমান শুদ্ধি অভিযান শিগগিরই দেশব্যাপী শুরু হতে পারে। ঢাকার ক্লাব থেকে শুরু হওয়া আলোচিত এ অভিযান আরো জোরদার হবে বলে ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবাদ মাধ্যমে ঘোষণা দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত্য দৃঢ়তার সাথে বলেছেন, “হোক সে আমার পরিবার, আত্মীয় কিংবা নিজ দলের কেউ। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।”  যুবলীগ সভাপতি ওমর ফারুক চৌধুরীর ব্যাংক হিসাব তলব প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের যথার্থতা প্রমাণ করে। শুধু তাই নয় অবস্থা বেগতিক দেখে দলের অনেক নেতাই ইতমধ্যে গা ঢাকা দিয়েছে। আবার অনেকে নিজকে ঘুটিয়ে নেয়ার প্রস্থুতি চালাচ্ছে।

একটি বিষয় লক্ষণীয় যে, আওয়ামী লীগের শীর্ষনেতারা ক্যাসিনো ব্যবসার সাথে জড়িতদের বিএনপি অথবা তাদের অঙ্গসংঠনের নেতা দাবি করে তাদের উপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছেন। কিন্তু দলেরে অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা একটি স্বার্থান্বেষী মহল যাদের অবৈধ বাণিজ্যের কারণে জিকে শামীম ও লোকমানরা দলে অনুপ্রবেশ করার সুযোগ পেয়েছে তাদের বিরূদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছেন না? এ প্রশ্ন আজ দলের ত্যাগী ও দুর্দিনে হামলা মামলায় জর্জড়িত নেতাকর্মীদের। তাদের অভিমত দলের নাম ভাঙিয়ে দুর্নীতির বরপুত্র যারা সেজেছেনে তাদের চেয়ে পৃষ্ঠপোষকদের অপরাধ কোন অংশেই কম নয়। তুণমূল থেকে কেন্দ্রীয় অনেক নেতাই এহেন অপকর্মের সাথে জড়িত বলে সাধারণ জনগণও মনে করে। তাই চলমান শুদ্ধি অভিযানের কলেবর বৃদ্ধি পাবে এটাই তাদের প্রত্যাশা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 www.kalpurushnet.com