দৃষ্টি আকর্ষণঃ
আমাদের ভূবনে স্বাগতম। আপনাদের সহযোগিতাই আমাদের পাথেয়।
সংবাদ শিরোনাম
মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ও উপমন্ত্রী শিক্ষা জাতীয়করণ প্রসঙ্গে সংসদে আপনাদের বক্তব্য চাই করোনা বৃত্তান্ত।। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু এবং আক্রান্ত শনাক্ত দু’টোই বেড়েছে করোনার গ্যাঁড়াকলে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা।। বিপর্যস্ত শিক্ষাপঞ্জি চরম বিপাকে বেসরকারি শিক্ষকরা সমৃদ্ধ জাতি গঠনে শিক্ষা ও শিক্ষকবান্ধব পরিকল্পনা জরুরি শিক্ষকতা পেশার মর্যাদা তলানীতে! আমি শিক্ষক মানুষ গড়ার কারিগর এ নহে মোর অপরাধ মোবাইল গেমসঃ একটি ভয়াবহ ব্যাধি তিতাসে বাংলাদেশ শিক্ষা সেবা ফাউন্ডেশনের বৃক্ষ রোপণ এ বছরও হজ্বযাত্রী পাঠানো বন্ধ থাকবে- সংসদে অর্থমন্ত্রী মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ও উপমন্ত্রী শিক্ষা জাতীয়করণে প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দের উদ্যোগ নিন ৫০ বছরে ৭৮৬ কোটি থেকে ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ হাজার কোটি টাকার বাজেট
চলছে ঢিলেঢালা লকডাউন! স্বাস্থ্যবিধি উধাও

চলছে ঢিলেঢালা লকডাউন! স্বাস্থ্যবিধি উধাও

মোহাম্মদ আলাউদ্দিন মাস্টার।। বহুল প্রচারিত প্রবাদ “কাজীর গরু কেতাবে আছে গোয়ালে নেই।” এটি এখন চলমান লকডাউনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য একটি উক্তি। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে পূর্বের সব বিধিনিষেধ ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় নতুন কিছু শর্তে ৫ মে মধ্যরাত থেকে ১৬ মে মধ্যরাত পর্যন্ত চলমান লকডাউনের মেয়াদ বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।
বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
ঘোষিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় আগের সব বিধিনিষেধ ও কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় নতুন ৬টি শর্ত সাপেক্ষে ৫ মে মধ্যরাত থেকে ১৬ মে মধ্যরাত পর্যন্ত চলমান বিধিনিষেধ বাড়ানো হলো। নতুন শর্ত অনুযায়ী দোকানপাট ও শপিংমলগুলো পূর্বের মতো সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। তবে সব দোকানপাট ও শপিংমলে স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে প্রতিপালন নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় দোকানপাট ও শপিংমল তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে দেয়া হবে। কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। মার্কেট ও শপিংমলগুলোতে তিল ধারণের ঠাই নেই। মানুষ কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করে ঈদের কেনাকাটায় ভিড় করছেন বিভিন্ন মার্কেটে। অনেকটা ঠেলাঠেলি করেই কেনাকাটায় ব্যস্ত ক্রেতারা। সামাজিক বা শারীরিক দুরূত্ব মানার কোন বালাই নেই। এমনকি অনেকের মুখিই মাস্ক দেখা যাচ্ছে না। আবার কেউ মুখ থেকে মাস্ক নামিয়ে থুতনিতে লাগিয়ে রেখেছেন। কেউবা একটু নিঃশ্বাস নেয়ার কথা বলে খুলে রেখেছেন। কেনাকাটা করতে অনেকে নারী-শিশুসহ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ভিড় করছেন মার্কেটে।
ঘোষিত বিধিনিষেধ অনুযায়ী আন্তঃজেলা গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও ৬ মে থেকে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালন সাপেক্ষে জেলার অভ্যন্তরে গণপরিবহন চলাচলে কোন বাধা নেই। কিন্তু কোনরূপ স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই চলছে গণপরিবহন। পূর্বের ন্যায় ঠেলাঠেলি করেই বাসে উঠছেন যাত্রীরা। কারও মুখে মাস্ক আছে তো, কারও নেই। যাত্রী ওঠানোর সময় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করার নির্দেশনা থাকলেও এ দৃশ্য কদাচিৎই মেলে। কিছু বাসে দুই সিটে একজন যাত্রী বসানো হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা মানা হচ্ছে না। অনেক বাসেই সিট খালি রাখা হচ্ছে না। এমনকি দাঁড়িয়েও যাচ্ছেন লোকজন।
সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক মাস্ক ব্যবহার শতভাগ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা থাকলেও তা বরাবরই উপেক্ষিত। করোনা ভীতিকে জয় করার মানসিকতা নিয়ে অনেকেই মাস্ক ছাড়া চলাফেরা করছেন। প্রশাসন এবং আইনশৃংখলা বাহিনীর তেমন কোন তৎপরতা না থাকায় দেশে লকডাউন চলছে তা বুঝা বড় মুশকিল। তাছাড়া করোনা মহামারি বলতে কোন কিছু আছে মানুষের আচরণে তা আঁচ করা যাচ্ছে না। এককথায় সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি উধাও বলা যেতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 www.kalpurushnet.com