দৃষ্টি আকর্ষণঃ
আমাদের ভূবনে স্বাগতম। আপনাদের সহযোগিতাই আমাদের পাথেয়।
সংবাদ শিরোনাম
মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ও উপমন্ত্রী শিক্ষা জাতীয়করণ প্রসঙ্গে সংসদে আপনাদের বক্তব্য চাই করোনা বৃত্তান্ত।। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু এবং আক্রান্ত শনাক্ত দু’টোই বেড়েছে করোনার গ্যাঁড়াকলে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা।। বিপর্যস্ত শিক্ষাপঞ্জি চরম বিপাকে বেসরকারি শিক্ষকরা সমৃদ্ধ জাতি গঠনে শিক্ষা ও শিক্ষকবান্ধব পরিকল্পনা জরুরি শিক্ষকতা পেশার মর্যাদা তলানীতে! আমি শিক্ষক মানুষ গড়ার কারিগর এ নহে মোর অপরাধ মোবাইল গেমসঃ একটি ভয়াবহ ব্যাধি তিতাসে বাংলাদেশ শিক্ষা সেবা ফাউন্ডেশনের বৃক্ষ রোপণ এ বছরও হজ্বযাত্রী পাঠানো বন্ধ থাকবে- সংসদে অর্থমন্ত্রী মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ও উপমন্ত্রী শিক্ষা জাতীয়করণে প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দের উদ্যোগ নিন ৫০ বছরে ৭৮৬ কোটি থেকে ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ হাজার কোটি টাকার বাজেট
ঘুষ ইজ গুড ফর হেলথ!

ঘুষ ইজ গুড ফর হেলথ!

কালপুরুষ রিপোর্টঃ

শিরোনামটি দেখে অনেকেই আতকে উঠতে পারেন। এ আবার কেমন কথা। ঘুষ তো আর কোন খাবার জিনিষ নয়। তাই স্বাস্থের উন্নতি অবনতির সাথে এর আবার সম্পর্ক কী? আসলে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ঘুষ প্রবণতা এবং এর ব্যাপক বিস্তারে একটি গল্প মনে পড়ে গেল তাই শিরোনামে ঠাঁই দিলাম। গল্পটি বলেছিলেন দেশবরেণ্য শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ যিনি আলেকিত মানুষ গড়ার লক্ষে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাঝে নৈতিকতা শিক্ষা দেয়ার মানসে চালু করেছেন বই পড়া কর্মসূচি। দেশব্যাপী সাদা মনের মানুষ সৃষ্টিতে তাঁর চেষ্টার কমতি নেই। নানাবিধ গল্প উপস্থাপন এবং হাস্যরস সৃষ্টির মাধ্যমে তাঁর রসালো উপদেশ মন ছুঁয়ে যায়। কিন্তু হৃদয় ও মানসপটে লালন করার ক্ষেত্রে আমাদের যত কপটতা। 

বণিতা না করে এবার মূল গল্পে আসা যাক। ব্রিটিশ শাসনামলে এক তরুণ ম্যাজিস্ট্রেট বিলেত থেকে ভারতবর্ষে এসেছেন বেশিদিন হয়নি। বিচারকাজ পরিচালনা করতে গিয়ে একটু-আধটু বাংলা শিখেছেন। একদিন বিচারকাজ শেষে নিজ কক্ষে বসে আছেন বিচারক। হঠাৎ চাপরাশি হতোদ্যম হয়ে তার রুমে ঢুকলেন। কোনো রকম বিরতি না দিয়েই ম্যাজিস্ট্রেটকে বললেন, “হুজুর, মিস্টার নাজির ইজ ইটিং ঘুষ।” বিচারক মহাশয় বিপাকে পড়লেন। ‘ঘুষ’ শব্দের অর্থ কী তা তিনি জানেন না । চাপরাশিরও ইংরেজির জ্ঞান ছিল সীমিত। অগ্যতা কী আর করা। এহেন পরিস্থিতিতে ঘুষের অর্থ বোঝাতে চাপরাশি বিচারক মহাশয়কে সরাসরি নাজিরের রুমে নিয়ে গেলেন। বিচারক নাজিরের রুমে ঢুকতেই চোখে পড়ে টেবিলের ওপর রাখা আছে এক কাঁদি পাকা কলা। এই কলার কাঁদিই ঘুষ হিসেবে দেয়া হয়েছে নাজিরকে। সেখান থেকেই কলা ছিঁড়ে মুখে পুরছেন নাজির। এ অবস্থায় তরুণ বিচারকের উপলব্ধি হলো, কলাকেই মনে হয় ‘ঘুষ’ বলা হয়। কিছুদিন আগে তিনি এ ফলটি খেয়েছেনও। খুবই সুস্বাদু লেগেছে তার কাছে। জেনেছেন এর পুষ্টিগুণও। তাই তরুণ ম্যাজিস্ট্রেট মনে করলেন কলার প্রতিশব্দই ‘ঘুষ’। আর সেই বোধ থেকেই বললেন, “ওহ, আই থিংক সামথিং রং। বাট ইউ আর ইটিং ঘুষ। ঘুষ ইজ গুড ফর হেলথ, এভরিবডি মাস্ট ইট ঘুষ।”

অফিস-আদালত সর্বত্র আজ ঘুষের রমরমা বাণিজ্য। ঘুষ ছাড়া কাজ আদায় খুবই কঠিন। ঘুষ যেন সার্বজনীন রূপ লাভ করেছে। সরকারের নানা তৎপরতা স্বত্ত্বেও ঘুষ কালচার বন্ধ হচ্ছে না। আবার অনেকে বলছে সর্ষের মধ্যেই ভুত। অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে আমরা ব্রিটিশ আমলের সেই ম্যাজিস্ট্রেটের ভ্রান্ত ধারণাকেই দিব্য জ্ঞান হিসেবে বেছে নিয়েছি। 

Please Share This Post in Your Social Media

3 responses to “ঘুষ ইজ গুড ফর হেলথ!”

  1. Delowar says:

    Valo khobor

  2. Like!! Thank you for publishing this awesome article.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 www.kalpurushnet.com