দৃষ্টি আকর্ষণঃ
আমাদের ভূবনে স্বাগতম। আপনাদের সহযোগিতাই আমাদের পাথেয়।
সংবাদ শিরোনাম
মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ও উপমন্ত্রী শিক্ষা জাতীয়করণ প্রসঙ্গে সংসদে আপনাদের বক্তব্য চাই করোনা বৃত্তান্ত।। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু এবং আক্রান্ত শনাক্ত দু’টোই বেড়েছে করোনার গ্যাঁড়াকলে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা।। বিপর্যস্ত শিক্ষাপঞ্জি চরম বিপাকে বেসরকারি শিক্ষকরা সমৃদ্ধ জাতি গঠনে শিক্ষা ও শিক্ষকবান্ধব পরিকল্পনা জরুরি শিক্ষকতা পেশার মর্যাদা তলানীতে! আমি শিক্ষক মানুষ গড়ার কারিগর এ নহে মোর অপরাধ মোবাইল গেমসঃ একটি ভয়াবহ ব্যাধি তিতাসে বাংলাদেশ শিক্ষা সেবা ফাউন্ডেশনের বৃক্ষ রোপণ এ বছরও হজ্বযাত্রী পাঠানো বন্ধ থাকবে- সংসদে অর্থমন্ত্রী মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ও উপমন্ত্রী শিক্ষা জাতীয়করণে প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দের উদ্যোগ নিন ৫০ বছরে ৭৮৬ কোটি থেকে ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ হাজার কোটি টাকার বাজেট
এ বছরও হজ্বযাত্রী পাঠানো বন্ধ থাকবে- সংসদে অর্থমন্ত্রী

এ বছরও হজ্বযাত্রী পাঠানো বন্ধ থাকবে- সংসদে অর্থমন্ত্রী

ফাইল ফটো

কালপুরুষ রিপোর্ট।। হজ্ব ইসলাম ধর্মাবলম্বী অর্থাৎ মুসলমানদের জন্য একটি আবশ্যকীয় ইবাদত বা ধর্মীয় উপাসনা। এটি ইসলাম ধর্মের চতুর্থ স্তম্ভ। শারীরিক ও আর্থিকভাবে সক্ষম প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর জন্য জীবনে একবার হজ সম্পাদন করা ফরজ বা আবশ্যিক। আরবি জিলহজ মাসের ৮ থেকে ১২ তারিখ হজ্বের জন্য নির্ধরিত সময়। বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারির প্রকোপ চলমান থাকায় সৌদি আরবে পবিত্র হজ পালনের অনুমতি না পাওয়ায় গত বছর হজযাত্রী পাঠানো বন্ধ ছিল। এ বছরও তা বন্ধ থাকবে বলে জাতীয় বাজেট বক্তৃতায় জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল।
৩ জুন, বৃহস্পতিবার বিকাল তিনটায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদে এ বাজেট উপস্থাপনকালে একথা জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, আগামী বছরগুলোতে সুষ্ঠুভাবে হজের যাবতীয় কার্যাবলী সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ই-হজ সিস্টেম চালু করাসহ হজ ব্যবস্থাপনায় তথ্য প্রযুক্তির সর্বোচ্চ প্রয়োগ নিশ্চিত করা হচ্ছে। সকল সেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলোর জায়গা সংকুলান হয় না বিধায় হজ্বক্যাম্প ভবনে ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ এবং হজ্ব ক্যাম্পের অভ্যন্তরীণ অবকাঠামো সংস্কারের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। ইমাম ও মুয়াজ্জিন কল্যাণ ট্রাস্টের আওতায় চলতি অর্থবছরে এক হাজার ইমামকে সুদমুক্ত ঋণ ও ৪ হাজার দুস্থ ইমামকে আর্থিক সাহায্য প্রদান করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, মহামারীর কারণে হজ্ব বাতিল হয়েছিল প্রথমে ১৮১৪ সালে। হেজাজ প্রদেশে প্লেগের কারণে ৮,০০০ মানুষ মারা যাওয়ায় হজ্ব বাতিল করা হয়। এরপর ১৮৩১ সালে ভারত থেকে যাওয়া হজ্বযাত্রীদের মাধ্যমে মক্কায় প্লেগ ছড়িয়ে পড়ে এবং চারভাগের তিনভাগ হাজী মৃত্যুবরণ করে। ফলে সে বছর হজ্ব বাতিল করা হয়। এছাড়াও ১৮৩৭ থেকে ১৮৫৮ সালের মধ্যে প্লেগ এবং কলেরার কারণে তিন বারে মোট ৭ বছর হজ্ব বন্ধ ছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2019 www.kalpurushnet.com